Tuesday, December 29, 2015

E-mail Marketing

ইমেইল মার্কেটিং কাকে বলেঃ

Email এর মাধ্যমে যদি অন্য লোকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয় তবে তাকে ইমেইল মার্কেটিং বলে। এক কথায় কোন সেবা বা পন্যের প্রচার করার জন্য যদি কোন ব্যক্তিকে ইমেইল করা হয় তবে তাকে E-mail Marketing বলে।

ই-মেইল মার্কেটিং এর প্রকারভেদঃ

সাধারনত Email Marketing তিন প্রকার হয়ে থাকে। যেমনঃ
1.Transactional Email Marketing: এই পদ্ধতিটি ব্যবহার হয়ে থাকে যখন আমরা কোন পপুলার ওয়েবসাইট যেমনঃ Amazon.com অথবা Ebay.com বা এ জাতীয় কোন অয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করি তখন তাদের সাইত থেকে আমাদের একটি ধন্যবাদ জানিয়ে একটি মেইল পাঠায়। এ জাতীয় মেইলকেই বলা হয় Transcational মেইল


2.Direct mail: আপনি যখন কাউকে কোন বিষয়ের উপর সারাসরি মেইল প্রদান করবেন তখন এ মেইলকে বলা হয় Direct maail.

3. Solo Ad: অনেক সময় বড় বড় কম্পানিগুলো তাদের ব্যবসার প্রচার চালানোর জন্য ইমেইল মার্কেটার/প্রভাইডারদের নিকট হতে Email list ক্রয় করে উক্ত লিষ্ট অনুযায়ী তাদের ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। এভাবে লিষ্ট ক্রয় করে Email পাঠানোকে Solo Ad বলে।

Email list collect করাঃ


ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য Eamil List Collect করা অত্যান্ত জরুরি কারন list না থাকলে ইমেইল পাঠাবেন কাকে। ইমেইল সেন্ড করার জন্য আপনার হাতে একটা কালেক্ট করা ডাটাবেজ থাকতে হবে। যেমন আপনার বাড়ী কোন অনুষ্ঠান হবে আপনি কাদের উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন জানাবেন তাদের লিষ্ট যদি আপনার হাতে না থাকে তাহলে আমন্ত্রন জানাবেন কাদের।

Eamil List Collect করার প্রকারভেদঃ

Eamil List Collect করার জন্য সাধারন দুটি পদ্ধতি আছে একটি হলো Black hat পদ্ধতি অন্যটি হলো What hat পদ্ধতি।

Black hat পদ্ধতিঃ

ব্লাক হ্যাট পদ্ধতি হলো Email Collect করার একটা অন্যায় পদ্ধতি যার মাধ্যমে অন্যায়ভাবে Email ID কলেক্ট করা হয়। Black hat পদ্ধতিতে বিভিন্ন সফটওয়্যার বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কালেক্ট করা যায়। তবে এটি না করাই ভালো কারন কারো অনুমতি ছাড়া তাকে Mail পাঠানো অন্যায়।


what hat পদ্ধতিঃ

what hat পদ্ধতি হলো Email list Collect করার একটি সঠিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে আপনার সংগ্রহকৃত লিষ্টটি ১০০% কার্জকর হবে। এ জন্য আপনার দরকার হবে একটি ওয়েবসাইট অথবা একটি ব্লগিং সাইটের। আপনার অয়েবসাইটে/ ব্লগিং সাইটে flowed by Email গ্যাজেটটি জুড়ে দিলেই হবে। আর যারা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে তারা যদি তাদের Email ID আপনার সাইটে সাবমিট করে তবে আপনার জন্য তৈরি হতে থাকবে একটা স্থায়ী ইমেইল লিষ্ট যা আপনার ভবিষ্যতের সম্পদ হিসাবে রয়ে যাবে।

E-mail পাঠানোর কিছু নিয়মঃ

ইমেইল পাঠানোর জন্য কিছু নিয়ম আপনাকে মেনে চলতে হবে। কারন রাস্তায় গাড়ি চালাতে গেলে আপনাকে ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। আপনার যদি ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে ধারনা না থাকে তাহলে দূর্ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক। তাই কোন কাজ করার আগে সে কাজের নিয়ম কানুন জানা জুরুরী। সঠিকভাবে নিয়ম-কানুন না মেনে ইমেইল মার্কেটিং করতে গেলে আপনার মেইল Inbox এ না গিয়ে Spam box এ চলে যেতে পারে।


১। যাকে Email পাঠাবেন তার অনুমতি নিয়ে Mail পাঠানো ভালো তানাহলে আপনাকে অপরিচিত মনে করে Spam করে দিতে পারে। ফলে আপনার Mail Inbox এ না গিয়ে Spam box এ চলে যাবে।

২. Unsubscribe যুক্ত করাঃ আপনি যখন কাউকে মেইল পাঠাবেন তখন উক্ত মেইলে Unsubscribe যুক্ত করে দিতে হবে যাতে কেউ যদি পরবর্তিতে এ ধরনের ইমেইল দেখতে আগ্রহী না হন তাহলে তিনি নিজে থেকেই তার নাম বাদ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার সুবিধা হবে। আপনাকে আর সময় নষ্ট করে অনেক লোককে মেইল করার প্রয়োজন পড়বে না। বাদ হতে হতে আপনার হাতে যে লিষ্টটি থাকবে সেটিই আপনার জন্য মূল লিষ্ট হিসাবে কাজ করবে।

৩. নিজস্ব ওয়েব সার্ভার থাকলে ভালোঃ Email Marketing করার জন্য নিজস্ব ওয়েব সার্ভার/ ভাড়াকৃত সার্ভার থাকলে ভালো হয়। কারন gmail/ yahoo প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ইমেইল পাঠালে ভিজিটররা আপনাকে স্পামার মনে করবে।

৪. আপনি যে জিনিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করার জন্য ঠিক করবেন সে জিনিসের জন্য আপনাকে একটা সঠিক Subject নির্ধারন করতে হবে। কোন প্রকার অন্যায় বা ভূল ইনফরমেশনের কারনে আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়াতে পারবেন ঠিকই কিন্ত ঐ সকল ভিজিটর আপনার সাইটে আর কোনদিন আসবেনা।

৫. আপনার কম্পানির একটা নির্দ্দিষ্ট ঠিকানা থাকতে হবে যাতে ভিজিটররা আপনাকে বিশ্বাস করতে পারে। আপনার ব্যবসার কোন ঠিকানা যদি না থাকে তাহলে আপনার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে দিতে পারেন যাতে কাষ্টমাররা আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

৬. আপত্তিকর দৃশ্য প্রচার করার জন্য আপনাকে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারন আপনি যাকে মেইলটি পাঠাবেন তিনি যদি আপন কারো সামনে এই মেইলটি ওপেন করে তাহলে তাকে লজ্জা পেতে হতে পারে। তাই এ সকল E-mail এর Subject এর আগে "ADV:ADLT" অথবা "ADLT" ব্যবহার করলে ভিজিটর মেইলটি সম্পর্কে বুঝতে পারবেন।

৭.Email Marketing করার জন্য আপনাকে প্রথমেই একটা Template তৈরি করে নিতে হবে। কারন আজকাল আর লিখালেখি করে কোন কম্পানির Email পাঠানো হয় না। অনেক সুন্দর সুন্দর Template তৈরি করে ওয়েবসাইটের বিস্তারিত বর্ণনা প্রদান করে Mail পাঠানো হয়। এতে সাইটের ভিজিটর অনেকগুন বেড়ে যায়।

Monday, December 28, 2015

Domain & Hosting

Domain name & Site Hosting.

ডোমেইন মানে কোন কিছুর নামকেই বুঝায় যেমন আপনার একটা কম্পানী আছে তার নাম বটারফ্লাই সু আর এ বাটারফ্লাই সু ই হলো আপনার পাদুকা কম্পানীর ডোমেইন। আর এটা যে এলাকায় অবস্থিত যেমন সূত্রাপুরে। সুত্রাপুরে হওয়ায় আপনার কম্পানীর একটা ঠিকানা আছে যার সাথে সূত্রাপুরের যোগ আছে। আমি এখানে বুঝাতে চাইছি আপনার নিজস্ব একটা সম্পদ এবং একটা ঠিকানা। ধরুন আপনি একটা ওয়েবসাইট বানাবেন সেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটা নাম দরকার হবে এবং একটা ঠিকানার প্রয়োজন হবে। আপনি এ কাজটি অতিসহজে করতে পারবেন আপনাকে প্রথমে যেকোন একটা Hosting সাইটে ঢুকে সেখানে আপনার ইমেইল এড্রেস দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে হবে। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে হাজার হাজার সার্ভার রয়েছে যারা তাদের সার্ভারের জায়গা বাড়া প্রদান করে থাকে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য। আপনার যদি কোন মাষ্টারকার্ড বা ইনটারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে আপনি যে কোন আন্তর্জাতিক মানের হোষ্টিং সাইটে অর্থ প্রদান করে জায়গা ভাড়া নিয়ে নিতে পারেন। আপনার যদি মাষ্টারকার্ড না থাকে তাহলে আপনি অন্য লোকের নিকত থেকে ডলার কিনে তা দিয়ে জায়গা কিনতে পারেন (অন্য লোক বলতে যারা আউটসোর্সিং এর কাজ করে)। আপনার যদি নিজের একটা ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি সে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যে কোন বিজ্ঞাপন অথাবা ব্যবসায়িক পন্য বিক্রয় করে ইনকাম করতে পারবেন। আবার আপনার অয়েবসাইটের ঠিকানায় পেয়ে যাবেন একটি নিজস্ব E-mail Address । আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক হোষ্টিং সার্ভার আছে জেগুলোর মান তেমন একটা ভালো নয়। আপনার যদি আন্তর্জাতিক মানের কোন হোষ্টিং কিনতে না পারেন তাহলে দেশীয় কোন সার্ভারের হোষ্টিং স্পেস কিনে ওয়েবসাইট বানাতে পারেন।


কয়েকটি জনপ্রিয় হোষ্টিং সাইটের নাম নিম্নে প্রদান করা হলঃ


১. www.ehost.com


2.www.ipage.com


3. www.web.com/site


4. www.ideahost.com


5. www.inmotionhosting.com


6. www.hostgator.com


7.http://www.hostpapa.com

8. www.godaddy.com

সাব ডোমেইন


সাব ডোমেইন মানে ডোমেইন এর আন্ডারে অন্য আরেকটি ওয়েবসাইট বানানো। সাব ডোমেইন তৈরির ক্ষেত্রে আপনার আসল ডোমেইন নেমটি আপনার সাব ডোমেইন এর পরে এক্সটেনশন হিসাবে থাকবে।


হোষ্টিং সাইট এর কিছু খুটিনাটি বিষয়ঃ

ধরুন আপনি Godady.com সাইটে একটা ওয়েবসাইট বানাতে চান। তাহলে প্রথমেই আপনাকে www.godady.com সাইটে প্রবেশ করতে হবে। তারপর আপনার ইমেইল এড্রেস ও একটি পাসওয়ার্ড দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করার মাধ্যমে আপনি এ সাইটের সদস্য হতে পারবেন। আপনার ইমেইল এড্রেস ও পাসওয়ার্ডটি আপনাকে মনে রাখতে হবে কারন পরবর্তীতে সাইটে লগইন করে ঢুকার জন্য দরকার হবে। আপনি www.godady.com সাইটে লগইন করে আপনি কি ধরনের সাইট চাচ্ছেন যেমনঃ .com, .info, .net যে ধরনের ডোমেইন নেম সেলেক্ট করবেন তার জন্য নির্দ্দিষ্ট পরিমান টাকা আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। টাকা পরিশোধ করার পর আপনাকে 'সি' প্যানেলে ঢুকে আপনি কোন ধরনের CMS (Content Management System) দ্বারা ওয়েবসাইট বানাবেন (ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা) সেটা নির্ধারন করতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেস মূলত সার্চ ইঞ্জিন সাপোর্টেড তাই আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস জানেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করাই ভালো। অয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট বানানো যায়।


কিছু টাকা খরচ করে নিজে একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারলে সারাজীবনের সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কি করা দরকার।

Thursday, December 3, 2015

আয় করুন Adf.ly থেকে

Adf.ly একটি ইন্টারন্যাশনাল নেটয়ার্কিং সাইট এ সাইট ব্যবহার করে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। Facebook এবং Twitter এ সাইটটির মার্কেটিং চালিয়ে আপনি প্রাতিমাসে ১০০ থেকে ১৫০ ডলার আয় করতে পারবেন।

যে ভাবে আয় করবেন।

আপনার যদি একটি ব্লগিং সাইট অথবা কোন ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি adf.ly সাইটে ঢুকে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে পারেন তারপর আপনার আয় করা টাকা কোন মাধ্যমে তুলবেন সেটি নির্বাচন করতে হবে। এ সাইট সাধারনত দু'টি মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের সুযোগ প্রদান করে থাকে। তারমধ্যে একটি হলো Paypal এর মাধ্যমে অন্যটি হলো Bank wire Transfer এর মাধ্যমে। যেহেতু আমাদের দেশে Paypal সাপোর্ট করেনা তাই আমাদের Bank Wire Transfer পদ্ধতিটি বাছাই করাই ভালো। Bank Wire Transfer সিলেক্ট করার পর আপনি বেশকিছু অপশন পাবেন যেখানে আপনার
Bank name, Bank Account Number, Bank Area Code, bank Swift code ইত্যাদি ইনফরমেশন দিতে হবে। এই ব্যাংক একাউন্টের ইনফরমেশন অবশ্যই আপনার দেশের যে ব্যাংকে একাউন্ট আছে সেই ইনফরমেশন দিতে হবে। তারপর আপনার যে ব্লগিং সাইটটি আছে বা ওয়েবসাইটটি আছে সেটির url address কপি করে এনে Shrink নামে যে Textbox টি আছে সে Textbox এ Past করে Shrink বাটনে ক্লিক করলে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার ব্লগিং সাইট অথবা অয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত url address । এ নামটি আপনি Facebook অথবা Twitter এ প্রচার করার মাধ্যমে আপনি আপনার ইনকাম শুরু করে দিতে পারবেন। নিচে একটি লিংক প্রদান করা হলো আপনাদের সুবিধার জন্য।



Sunday, November 29, 2015

ODESK Traning

আউটসোর্সিং কি?


আউট সোর্সিং মানে আউটের লোক দ্বারা কোন কাজ করানো। আমার একটা কাজ যদি বাহিরের কোন লোক দ্বারা করিয়ে তার পারিশ্রমিক প্রদান করে দেই তবে সেটি হবে আউটসোর্সিং। জেমনঃ কোন অফিসিয়াল কাজ করার জন্য আমি যদি টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ নিয়ে সে অফিসে লোক প্রদান করি অফিসের কাজ করার জন্য তাহলে সেটি হবে আউটসোর্সিং। এক্ষেত্রে উক্ত অফিস আমাকে মাস শেষে আমার দরপত্রের টাকা পরিশোধ করবে এবং এ থেকে আমি আমার লোকদের বেতন প্রদান করতে পারব। এখানে আউটসোর্সিং বলতে আমরা বুঝাবো ইন্টারনেটের কাজ করে টাকা আয় করা। ধরা জাক আমরা ইন্টারনেটে অনেক ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে জেগুলোতে বিড করার মাধ্যমে কাজ নিয়ে করে জমা দিয়ে আমরা টাকা আয় করতে পারি। বায়ার যদি কাজ বুঝে খুশি হয় তাহলে আপনার টাকা পরিশোধ করে দিবে।


বেকারত্ব দূরকরনে আউটসোর্সিং

আজকাল আমাদের দেশে যে পরিমান ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা শিখে বের হচ্ছে সে পরিমান চাকরির বাজার বাড়ছে না। আউটসোর্সিং করে আজকাল অনেক ছেলে-মেয়ে ভালো টাকা ইনকাম করছে। আউটসোর্সিং করার মাধ্যমে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। বিদেশে পরিশ্রম করে যে টাকা ইনকাম করা সম্ভব নয় সে পরিমান টাকা দেশে বসেই ইনকাম করা সম্ভব আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে। আমাদের দেশের বেকার ছেলে-মেয়েদের যদি আউটসোর্সিং এর ট্রেনিং প্রদান করে গড়ে তুলা যায় তাহলে আমাদের দেশে আর বেকার ছেলে-মেয়ে থাকবে না। আর আমাদের দেশ ওর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে।

Thursday, November 26, 2015

Use internet for long time income

ব্লগিং সাইট তৈরী করে আয় করাঃ


একটি ব্লগিং সাইট তৈরী করে মাসে মাসে ঘরে বসে একটি ভালো পরিমান টাকা আপনি আয় করতে পারেন। একটি ব্লগিং সাইটে ৩০-৪০ টি ভালো মানের পোষ্ট দিয়ে Google Adsense এ এপ্লাই করে Google Adsense থেকে এ্যাড এনে আপনার সাইটে যোগ করে সাইটটির মার্কেটিং যদি করতে পারেন এবং অধিক সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনি প্রতিমাসে কিছু টাকা এ সাইট দ্বারা আয় করতে পারবেন। একটি ব্লগিং সাইটই হতে পারে আপনার আয়ের একমাত্র ক্ষেত্র। তবে সাইট তৈরী করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারন আপনার সাইটের পোষ্ট যদি অন্য কোন সাইটের পোষ্টের পোষ্টের সাথে মিলে জায় সেক্ষেত্রে Google Adsense আপনার সাইটটিকে Disallow করে দিবে। আপনার সাইটের পোষ্টগুলো আনকমন হতে হবে। অন্য কোন সাইটের পোষ্ট কপি করে আপনার সাইটে লাগাবেন না।

সাইটে পোষ্ট দেওয়ার শুরুতে পোষ্টের একটি টাইটেল দিতে হবে এবং একটি লেবেল যুক্ত করতে হবে। কারন লেবেল ধরে Google সার্চ ইঞ্জিন উক্ত সাইটটিকে Indexing করতে পারে। তারপর কোন একটি বিষয় নির্ধারন করে উক্ত বিষয় সম্পর্কে ভালো লেখা লিখতে হবে। যাতে ভিজিটরা পড়ে আনন্দ পায়। আপনার সাইটটি যদি দর্শক নন্দিত হয় এবং সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনার সাইটটি ব্যবহার করে অনেক কাজ করতে পারবেন, Google Adsense এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যে কোন Affiliate Marketing এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে যদি Visitor দের দ্বারা কোন পন্য ক্রয় করাতে পারেন তাহলে আপনি Affiliate Company এর উক্ত পন্যের দামের একটা কমিশন পেয়ে যাবেন। ইন্টারনেটে অনেক কাজ আছে যে কাজগুলো করতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগিং সাইট থাকতে হবে। কারন ঐ কাজের প্রথম শর্ত থাকে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগিং সাইট থাকতে হবে। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগিং সাইট থাকে তবে ঐ কাজের জন্য আপনি বিড করে আপনার যোগ্যতার প্রমান দিয়ে কাজটি করতে পারবেন।

Monday, November 23, 2015

PPC Site.

PPC Site বলতে আমরা বুঝি সাধারনত Paid Per Click এ সকল সাইটের মাধ্যমে আমরা সাধারনত প্রত্যেক্টা এ্যাডে ক্লিক করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পেয়ে থাকি। তার মধ্যে neobux উল্ল্যেখযোগ্য আসলে সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এমনও পিটিসি সাইট আছে যারা কোন কিছু দেখার জন্য অথবা কোন পন্য ডাউনলোড কয়ার জন্য অর্থ প্রদান করে থাকে এ সকল সাইট কিছুটা লাভবান। আবার অনেক সাইট রয়েছে তাদের সাইটে ডুকে কোন একটা ছবি দেখে মন্তব্য প্রদান করলে ঐ সকল সাইটের কর্তৃপখ নির্দিষ্ট একটা টাকা প্রদান করে থাকে। আপনিও এ সকল সাইটে ঢুকে তাদের নির্দেশমত কাজ করে পেয়ে যাবেন নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন।

image of graboid

আবার এ সকল সাইটের Affiliate link ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি তাদের সাইটটির প্রচার করার মাধ্যমে সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটরের আগমন ঘটিয়ে আপনি এ সাইট থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যত ভিজিটরের আগমন ঘটতে পারবেন ততই আপনার জন্য লাভ। ঐ সকল ভিজিটর যদি কোন পন্য ডাউনলোড করে বা দেখে তবে আপনি এ কাজের জন্য পেয়ে যাবেন নির্দিষ্ট পরিমান একটা কমিশন। আবার অনেক নতুন সাইট রয়েছে যারা তাদের সাইটের ভিজিটরের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য লোক নিয়োগ করে থাকে। তাদের সাইটের লিংকের প্রচার করে উক্ত সাইটের ভিজিটর বাড়িয়ে তুলতে পারলে তারা একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা প্রদান করে থাকে। আজকাল ইন্টারনেট জগত এতটা ব্যপক বির্স্তৃত যে কোন কিছু আর HTML কোড লিখে করার প্রয়োজন নেই। কারন আপনার জন্য সকল প্রকার ওয়েবসাইট তৈরী করাই আছে আপনি শুধুমাত্র ঐ সকল অয়েবসাইটের লিংক আপনার সাইটে জুড়ে দিলেই হবে।

Sunday, November 15, 2015

Affiliate Marketing

এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায় নির্দ্দিষ্ট পরিমান কমিশনের মাধ্যমে অন্যের পন্য বিক্রয় করার মাধ্যমে নির্দ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাওয়া/ আয় করা। ধরুন আপনি কোন একটা কম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ যে, ঐ কম্পানীর পন্য বিক্রয় করলে আপনি ঐ পন্যের দামের উপর ১০% হারে কমিশন পাবেন। ধরা যাক, কম্পানির একটি পন্য ১০০ টাকায় বিক্রয় করলে আপনি পাবেন ১০ টাকা এভাবে ১০০ টি মাল বিক্রি করতে পারলে আপনি পাবেন ১০০০/- টাকা। মাসে যদি আপনি ১০০০ পিস মাল বিক্রি করেন তাহলে আপনি পাবেন ১০,০০০/- টাকা আপনার বিক্রয় যত বাড়াতে পারবেন কমিশনও তত বাড়তে থাকবে। এ কাজটি আপনি আনায়াসে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি কম্পিউটার, একটি ইন্টারনেট লাইন ও আপনার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট অথবা একটি ব্লগিং সাইটের যেখানে আপনি আপনার এফিলিয়েটলিংকটির প্রচার চালাতে পারবেন। এফিলিয়েট ব্যবসা অনেক বড় বাজেটের একটি ব্যবসা প্রতি বছর এ খাতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ইনভেষ্ট হয়ে থাকে। আজকাল ইন্টারনেটে অনেক ই-কমার্স সাইট রয়েছে যে সাইটগুলো বিভিন্ন পন্য বিক্রয় করার মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। আবার এ সকল সাইট তাদের বিক্রয় বাড়ানোর জন্য একটি এফিলিয়েট লিংক প্রদান করে থাকেন যে লিংকটি ব্যবহার করে যে কেউ উক্ত সাইটের অংশীদার হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। এফিলিয়েট লিংকটি ব্যবহার করে যে কেন লোক উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে এবং বিক্রয়ের উপর কমিশন পেতে পারে। ইন্টারনেটের কল্যানে আজ মানুষ ঘরে বসেই তার প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে ও বেচতে পারছেন। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বসে যে কেউ ইচ্ছা করলেই তার প্রয়োজনীয় জিনিষটি অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারেন। আপনি যদি ইন্টারনেটের কোন সাইট থেকে কোন পন্য ক্রয় করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অনলাইন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হবে। আজকাল ইন্টারনেটে অনেক অনলাইন ব্যাংক আছে যেগুলো অনেক বিশ্বস্ত। ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম সাইট হলো amazon.com

Monday, March 23, 2015

E-Commerce

আজকাল ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেনাকাটা করা একটি অন্যতম মাধ্যম বা ব্যবসা। আমরা কাজকাল ঘরে বসেই পৃথীবির যেকোন যায়গা থেকে পন্য কেনাকাটা করতে পারি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশের পন্য অন্য দেশে অনায়াসেই বেচা এবং ক্রয় করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পন্যের মূল্য ঘরে বসেই অতি সহজে পাওয়া যায়। আজকাল অনেক ইন্টারনেট ব্যাংকিং আছে যারা সারা বিশ্ব ব্যাপি তাদের টাকা লেনদেন করে থাকে। আপনার যদি কোন কারখানা অথবা শো-রুম থাকে আর মালামাল ষ্টোর করার মত যায়গা থাকে তাহলে আপনিও এ ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। কারন আপনাকে পন্য নিয়ে আর মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবেনা। আপনার পন্যকে E-commerce এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে ডিসপ্লে করে দিলেই হবে মানুষ আপনাকে খুজবে। এমনকি আপনি এক দেশের পন্য অন্য দেশেও বিক্রি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কোন বিশ্বস্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাল পাঠাতে হবে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাল পাঠাতে হলে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে কাষ্টমারের চাহিত সময়ের মধ্যে মাল পৈছায়। ই-কমার্স ব্যবসা একটি অত্যান্ত লাভজনক ও আরামের ব্যবসা।


বিভিন্ন ধরনের E-Commerce:

ই-কমার্স সাধারনত বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আমরা এখানে তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

B2B) Business to Business, (B2C) Business to Customer, (C2C) Customer to Customer or many.
image of E-commerce