Sunday, November 29, 2015

ODESK Traning

আউটসোর্সিং কি?


আউট সোর্সিং মানে আউটের লোক দ্বারা কোন কাজ করানো। আমার একটা কাজ যদি বাহিরের কোন লোক দ্বারা করিয়ে তার পারিশ্রমিক প্রদান করে দেই তবে সেটি হবে আউটসোর্সিং। জেমনঃ কোন অফিসিয়াল কাজ করার জন্য আমি যদি টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ নিয়ে সে অফিসে লোক প্রদান করি অফিসের কাজ করার জন্য তাহলে সেটি হবে আউটসোর্সিং। এক্ষেত্রে উক্ত অফিস আমাকে মাস শেষে আমার দরপত্রের টাকা পরিশোধ করবে এবং এ থেকে আমি আমার লোকদের বেতন প্রদান করতে পারব। এখানে আউটসোর্সিং বলতে আমরা বুঝাবো ইন্টারনেটের কাজ করে টাকা আয় করা। ধরা জাক আমরা ইন্টারনেটে অনেক ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে জেগুলোতে বিড করার মাধ্যমে কাজ নিয়ে করে জমা দিয়ে আমরা টাকা আয় করতে পারি। বায়ার যদি কাজ বুঝে খুশি হয় তাহলে আপনার টাকা পরিশোধ করে দিবে।


বেকারত্ব দূরকরনে আউটসোর্সিং

আজকাল আমাদের দেশে যে পরিমান ছেলে-মেয়ে পড়ালেখা শিখে বের হচ্ছে সে পরিমান চাকরির বাজার বাড়ছে না। আউটসোর্সিং করে আজকাল অনেক ছেলে-মেয়ে ভালো টাকা ইনকাম করছে। আউটসোর্সিং করার মাধ্যমে অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। বিদেশে পরিশ্রম করে যে টাকা ইনকাম করা সম্ভব নয় সে পরিমান টাকা দেশে বসেই ইনকাম করা সম্ভব আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে। আমাদের দেশের বেকার ছেলে-মেয়েদের যদি আউটসোর্সিং এর ট্রেনিং প্রদান করে গড়ে তুলা যায় তাহলে আমাদের দেশে আর বেকার ছেলে-মেয়ে থাকবে না। আর আমাদের দেশ ওর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে।

Thursday, November 26, 2015

Use internet for long time income

ব্লগিং সাইট তৈরী করে আয় করাঃ


একটি ব্লগিং সাইট তৈরী করে মাসে মাসে ঘরে বসে একটি ভালো পরিমান টাকা আপনি আয় করতে পারেন। একটি ব্লগিং সাইটে ৩০-৪০ টি ভালো মানের পোষ্ট দিয়ে Google Adsense এ এপ্লাই করে Google Adsense থেকে এ্যাড এনে আপনার সাইটে যোগ করে সাইটটির মার্কেটিং যদি করতে পারেন এবং অধিক সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনি প্রতিমাসে কিছু টাকা এ সাইট দ্বারা আয় করতে পারবেন। একটি ব্লগিং সাইটই হতে পারে আপনার আয়ের একমাত্র ক্ষেত্র। তবে সাইট তৈরী করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারন আপনার সাইটের পোষ্ট যদি অন্য কোন সাইটের পোষ্টের পোষ্টের সাথে মিলে জায় সেক্ষেত্রে Google Adsense আপনার সাইটটিকে Disallow করে দিবে। আপনার সাইটের পোষ্টগুলো আনকমন হতে হবে। অন্য কোন সাইটের পোষ্ট কপি করে আপনার সাইটে লাগাবেন না।

সাইটে পোষ্ট দেওয়ার শুরুতে পোষ্টের একটি টাইটেল দিতে হবে এবং একটি লেবেল যুক্ত করতে হবে। কারন লেবেল ধরে Google সার্চ ইঞ্জিন উক্ত সাইটটিকে Indexing করতে পারে। তারপর কোন একটি বিষয় নির্ধারন করে উক্ত বিষয় সম্পর্কে ভালো লেখা লিখতে হবে। যাতে ভিজিটরা পড়ে আনন্দ পায়। আপনার সাইটটি যদি দর্শক নন্দিত হয় এবং সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনার সাইটটি ব্যবহার করে অনেক কাজ করতে পারবেন, Google Adsense এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যে কোন Affiliate Marketing এর বিজ্ঞাপন প্রচার করে যদি Visitor দের দ্বারা কোন পন্য ক্রয় করাতে পারেন তাহলে আপনি Affiliate Company এর উক্ত পন্যের দামের একটা কমিশন পেয়ে যাবেন। ইন্টারনেটে অনেক কাজ আছে যে কাজগুলো করতে হলে আপনার একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগিং সাইট থাকতে হবে। কারন ঐ কাজের প্রথম শর্ত থাকে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগিং সাইট থাকতে হবে। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট বা একটি ব্লগিং সাইট থাকে তবে ঐ কাজের জন্য আপনি বিড করে আপনার যোগ্যতার প্রমান দিয়ে কাজটি করতে পারবেন।

Monday, November 23, 2015

PPC Site.

PPC Site বলতে আমরা বুঝি সাধারনত Paid Per Click এ সকল সাইটের মাধ্যমে আমরা সাধারনত প্রত্যেক্টা এ্যাডে ক্লিক করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পেয়ে থাকি। তার মধ্যে neobux উল্ল্যেখযোগ্য আসলে সত্যিকার অর্থে বলতে গেলে এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এমনও পিটিসি সাইট আছে যারা কোন কিছু দেখার জন্য অথবা কোন পন্য ডাউনলোড কয়ার জন্য অর্থ প্রদান করে থাকে এ সকল সাইট কিছুটা লাভবান। আবার অনেক সাইট রয়েছে তাদের সাইটে ডুকে কোন একটা ছবি দেখে মন্তব্য প্রদান করলে ঐ সকল সাইটের কর্তৃপখ নির্দিষ্ট একটা টাকা প্রদান করে থাকে। আপনিও এ সকল সাইটে ঢুকে তাদের নির্দেশমত কাজ করে পেয়ে যাবেন নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন।

image of graboid

আবার এ সকল সাইটের Affiliate link ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি তাদের সাইটটির প্রচার করার মাধ্যমে সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটরের আগমন ঘটিয়ে আপনি এ সাইট থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যত ভিজিটরের আগমন ঘটতে পারবেন ততই আপনার জন্য লাভ। ঐ সকল ভিজিটর যদি কোন পন্য ডাউনলোড করে বা দেখে তবে আপনি এ কাজের জন্য পেয়ে যাবেন নির্দিষ্ট পরিমান একটা কমিশন। আবার অনেক নতুন সাইট রয়েছে যারা তাদের সাইটের ভিজিটরের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য লোক নিয়োগ করে থাকে। তাদের সাইটের লিংকের প্রচার করে উক্ত সাইটের ভিজিটর বাড়িয়ে তুলতে পারলে তারা একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা প্রদান করে থাকে। আজকাল ইন্টারনেট জগত এতটা ব্যপক বির্স্তৃত যে কোন কিছু আর HTML কোড লিখে করার প্রয়োজন নেই। কারন আপনার জন্য সকল প্রকার ওয়েবসাইট তৈরী করাই আছে আপনি শুধুমাত্র ঐ সকল অয়েবসাইটের লিংক আপনার সাইটে জুড়ে দিলেই হবে।

Sunday, November 15, 2015

Affiliate Marketing

এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায় নির্দ্দিষ্ট পরিমান কমিশনের মাধ্যমে অন্যের পন্য বিক্রয় করার মাধ্যমে নির্দ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাওয়া/ আয় করা। ধরুন আপনি কোন একটা কম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ যে, ঐ কম্পানীর পন্য বিক্রয় করলে আপনি ঐ পন্যের দামের উপর ১০% হারে কমিশন পাবেন। ধরা যাক, কম্পানির একটি পন্য ১০০ টাকায় বিক্রয় করলে আপনি পাবেন ১০ টাকা এভাবে ১০০ টি মাল বিক্রি করতে পারলে আপনি পাবেন ১০০০/- টাকা। মাসে যদি আপনি ১০০০ পিস মাল বিক্রি করেন তাহলে আপনি পাবেন ১০,০০০/- টাকা আপনার বিক্রয় যত বাড়াতে পারবেন কমিশনও তত বাড়তে থাকবে। এ কাজটি আপনি আনায়াসে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন পড়বে একটি কম্পিউটার, একটি ইন্টারনেট লাইন ও আপনার নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট অথবা একটি ব্লগিং সাইটের যেখানে আপনি আপনার এফিলিয়েটলিংকটির প্রচার চালাতে পারবেন। এফিলিয়েট ব্যবসা অনেক বড় বাজেটের একটি ব্যবসা প্রতি বছর এ খাতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ইনভেষ্ট হয়ে থাকে। আজকাল ইন্টারনেটে অনেক ই-কমার্স সাইট রয়েছে যে সাইটগুলো বিভিন্ন পন্য বিক্রয় করার মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। আবার এ সকল সাইট তাদের বিক্রয় বাড়ানোর জন্য একটি এফিলিয়েট লিংক প্রদান করে থাকেন যে লিংকটি ব্যবহার করে যে কেউ উক্ত সাইটের অংশীদার হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। এফিলিয়েট লিংকটি ব্যবহার করে যে কেন লোক উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাথে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে এবং বিক্রয়ের উপর কমিশন পেতে পারে। ইন্টারনেটের কল্যানে আজ মানুষ ঘরে বসেই তার প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে ও বেচতে পারছেন। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বসে যে কেউ ইচ্ছা করলেই তার প্রয়োজনীয় জিনিষটি অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারেন। আপনি যদি ইন্টারনেটের কোন সাইট থেকে কোন পন্য ক্রয় করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অনলাইন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হবে। আজকাল ইন্টারনেটে অনেক অনলাইন ব্যাংক আছে যেগুলো অনেক বিশ্বস্ত। ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম সাইট হলো amazon.com

Monday, March 23, 2015

E-Commerce

আজকাল ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেনাকাটা করা একটি অন্যতম মাধ্যম বা ব্যবসা। আমরা কাজকাল ঘরে বসেই পৃথীবির যেকোন যায়গা থেকে পন্য কেনাকাটা করতে পারি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশের পন্য অন্য দেশে অনায়াসেই বেচা এবং ক্রয় করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পন্যের মূল্য ঘরে বসেই অতি সহজে পাওয়া যায়। আজকাল অনেক ইন্টারনেট ব্যাংকিং আছে যারা সারা বিশ্ব ব্যাপি তাদের টাকা লেনদেন করে থাকে। আপনার যদি কোন কারখানা অথবা শো-রুম থাকে আর মালামাল ষ্টোর করার মত যায়গা থাকে তাহলে আপনিও এ ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। কারন আপনাকে পন্য নিয়ে আর মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবেনা। আপনার পন্যকে E-commerce এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে ডিসপ্লে করে দিলেই হবে মানুষ আপনাকে খুজবে। এমনকি আপনি এক দেশের পন্য অন্য দেশেও বিক্রি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কোন বিশ্বস্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাল পাঠাতে হবে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাল পাঠাতে হলে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে কাষ্টমারের চাহিত সময়ের মধ্যে মাল পৈছায়। ই-কমার্স ব্যবসা একটি অত্যান্ত লাভজনক ও আরামের ব্যবসা।


বিভিন্ন ধরনের E-Commerce:

ই-কমার্স সাধারনত বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আমরা এখানে তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

B2B) Business to Business, (B2C) Business to Customer, (C2C) Customer to Customer or many.
image of E-commerce


Monday, August 4, 2014

Earn without invest by clickin adds


ইন্টারনেটে অনেক এ্যাড ক্লিকিং সাইট আছে যেগুলো থেকে আপনি এ্যাডে ক্লিক করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনার হাতে যদি অনেক সময় থাকে তাহলে আপনি এর মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। প্রতিটি ক্লিকের জন্য আপনি পাবেন ০.০২ সেন্ট তবে একেক সাইটের বিজ্ঞাপন দেখার রেট একেক রকম। আপনি ইন্টারনেটে সার্চ দিলে অনেক অনেক সাইট পেয়ে যাবেন । যেখানথেকে আপনি আপনার সুবিধামত একটি সাইট বেছে নিয়ে কাজ করতে পারবেন। আসুন আমরা www.neobux.com সাইটটি নিয়ে একটু আলোচনা করি। প্রথমে এ সাইটে গিয়ে আপনাকে সঠিকভাবে রেজিষ্ট্রিশন করে আপনাকে এ সাইটের একজন সদস্য হতে হবে।


Sunday, July 13, 2014

Microsoft Excel

মাইক্রোসফট এক্সসেল ব্যবহার করা হয় সাধারনত আমাদের দৌনন্দিন কাজের হিসাব রাখার জন্য। Microsoft Excel কে আমরা একটি ডাটাবেজের সাথেও তুলনা করতে পারি। কারন এখানে দৌনিক আয় ব্যায়ের হিসাব জমা করে রাখা যায়। মাইক্রোসফট এক্সেলকে সাধারনত ব্যবহার করা হয় যে কোন ফ্যাক্টরি বা গোডাউন এর কাজের জন্য। Microsoft Excel এর মাধ্যমে মাসিক আয় ব্যায়ের হিসাব, কর্মচারীদের বেতন প্রদান, খরচ ও জমার পরিমান, ইত্যাদি Microsoft Excel মাধ্যমে করা যায়। Microsoft Excel ব্যবহার করে সকল প্রকার গাণিতিক কাজকর্ম যেমন জোগ, বিয়োগ, গুন ও ভাগ ইত্যাদি করা যায়। আপনি আপনার তথ্য এখানে জমা করে রাখতে পারবেন। পরবর্তীতে যেকোন সময় আপনার প্রয়োজনমত ওপেন করে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি যদি চান তাহলে সেটাকে পুনরায় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারবেন। কোন কিছু জোগ করার ইচ্ছা থাকলে জোগ করতে পারবেন। কোন কিছু মুছার ইচ্ছা থাকলে মুছেতে পারবেন। একটি রিপোর্ট প্রস্তুত হবার পর কয়েকবার দেখে ঠিক করে আপনার প্রয়োজনমত প্রিন্ট দিতে পারবেন। আপনার প্রয়োজনীয় বিল যেমন বিদ্যুত বিল, পানির বিল, গ্যাস বিল ইত্যাদি এক্সসেল ব্যবহার করে বানাতে পারবেন। মাইক্রোসফট এর ব্যানারে অনেক অনেক নোটবুক বাজারে প্রচার করা হয়েছে কিন্তু তাদের মধ্যে এক্সেলটি অত্যান্ত শক্তিশালী একটি গাণিতিক হিসাব রাখার যন্ত্র। Microsoft Excel এর ব্যাপারে ইন্টারনেটে অনেক সাহাজ্যকারী অপশন পাওয়া যায়।



image of Excel

Wednesday, April 2, 2014

Make money in Internet by easy away

Make money Online

আপনি ইন্টারনেটের থেকে টাকা আয় করতে পারবেন শুধুমাত্র টাইপ করে এজন্য আপনার কোন টাকা ইনভেষ্ট করতে হবেনা। নিম্নে একটি সাইটের লিংক প্রদান করা হলো এ সাইটে গিয়ে শুধুমাত্র রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি এ সাইট থেকে প্রতিমাসে ১০০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এটি একটি পেমেন্ট গ্যারান্টি সাইট এখানে আপনার টাকা মারার কোন ব্যবস্থা নেই। আজ সারা পৃথিবী একটা গ্লোবাল ভিলেজে পরিনত হয়েছে। আজ পৃথিবীর একপ্রান্তের কাজ অন্য প্রান্তে বসে করা যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা আমাদের এক্সপেরিয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে বাসায় বসে কাজ করতে পারি। যেমন আমেরিকার তার দৈনিক কাজ ইন্টারনেটে সাবমিট করে দিলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে সম্পন্ন করে আবার সাবমিট করে দেওয়া যায়। বর্তমান সময়ে ডাটা এন্ট্রি একটি অত্যান্ত চমৎকার পেশা যে কোন লোক ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাটা এন্ট্রি করে ঘরে বসে টাকা ইনকাম করতে পারে।

আজকাল অনেক উন্নতদেশ তাদের ডাটা এন্ট্রি কাজ করনোর জন্য লোকজনের অভাব থাকায় তাদের কাজ ইন্টারনেটে সাবমিট করে দেয়। অন্য অনুন্নত দেশ যাদের দেশে কাজ করার মত লোক আছে তারা সে সকল কাজ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থ আয় করতে পারে। এটা অত্যান্ত সহজ কাজ যেকোন লোক এ কাজ করতে পারে। ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলো সাহায্য নিয়ে আপনি এ কাজ করতে পারবেন। জেমনঃ oDesk.com, frelancee.com এবং Elance.com সাইট থেকে আপনি এ কাজগুলো করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে বিড করতে হবে। বায়ার যদি আপনাকে পছন্দ করে তাহলেই কেবল আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনার কাজের মাধ্যমে বায়ারকে যদি সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলে বায়ার আপনাকে তার কাজের জন্য বার বার আপনাকে কল করবে। আপনার হাতে যদি অনেক সময় থাকে তাহলে আপনি এ কাজ করে কিছু টাকা আয় করতে পারবেন।

Please Click Here

Sunday, March 30, 2014

Microsoft Word

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড একটি অয়ার্ড ডকুমেন্ট এটা মাইক্রোসফট এর একটি পন্য এটি অয়ার্ড প্রসেসরের একটি অংশ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় সাধারনত কোন ডিকুমেন্ট প্রস্তুত করার জন্য, এটাকে আপনি চাইলে প্রিন্ট করতে পারেন, আথবা সেভ করে রাখতে পারেন ভবিষ্যতে ব্যবহার করার জন্য। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সাধারনত ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন অফিস-আদালততে ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার জন্য। আপনার প্রয়োজনমত আপনি লেখার মাঝে টেবিল যোগ করতে পারবেন যে কোন ডাটা সেট করার জন্য। অথবা আপনি চাইলে এখানে বিভিন্ন বার যেমন চার্ট যোগ করে আপনার লেখাকে ইচ্ছামত প্রেজেন্টেশন করতে পারবেন। আপনার চাহিদামত লেখার মাঝে যেকোন ছবি বা Clipboard এর ছবি যুক্ত করতে পারবেন। পেজের ষ্টাইল দেওয়ার জন্য এখানে আছে অনেক অপশন যা দ্বারা আপনি আপনার পেজের চারপাশে বিভিন্ন ষ্টাইলের বর্ডার দিতে পারবেন। লেখাকে ভবিষ্যতে যাতে খুজে পাওয়া যায় তার জন্য পেজের উপরে হেডার বা নিচে ফুটার দিতে পারবেন। অফিসিয়াল কাজের জন্য সাধারনত আগের যুগে টাইপ মেশিনের বিকল্প হিসাবে কোন কাগজ টাইপ করার বিকল্প হিসবে সাধারনত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কম্পিটার যেহেতু একটি ভিজুয়াল এডিটিং মেশিন সেহেতু এখানে আপনি একটি পেজ টাইপ করার পর বহুবার চেক করে সেটিকে কারেকশন ও মডিফিকেশন করার পর আপনি প্রিন্ট দিতে পারেন। এক্ষেত্রে ভূল হয়ার সম্ভাবনা খুবি কম থাকে। আবার ভূল হলেও আপনার ডকুমেন্টটি যেহেতু সেভ করার অপশন আছে সেহেতু আপনি সেভ করে রাখলে সেখানথেকে ফাইলটিকে ওপেন করে আবার পূণরায় ঠিক করে প্রিন্ট দিতে পারবেন। কিন্তু টাইপ মেশিনে একবার টাইপ করার পর ভূল হলে পূনরায় পুরো পেজটিকে টাইপ করতে হবে।

Microsoft word document

Thursday, March 20, 2014

Learn how to make money in Internet

আজকাল অনেকেরই ইচ্ছা ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করা। তবে এ ব্যাপারে সঠিক ধারনা না থাকলে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন না। আপনাকে কাজের সম্পর্কে ধারনা পেতে অনেক সাইট ভিজিট করতে হবে সেই সাথে আপনাকে কাজও শিখতে হবে। এই লিংকে ক্লিক করে আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে ইন্টারনেট এর বিভিন্ন যায়গা থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। এই অয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিভিন্ন যায়গা থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকামের অন্যতম মাধ্যম হলো, Google adsense, Data entry, E-mail marketing, e-commerce এবং আরো অনেক মাধ্যম আছে জেগুলো পর্জায়ক্রমে আলোচনা করা হবে।


Visit this site

Thursday, February 20, 2014

Computer self independent Training


আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাদের সাগতম।


যদি আপনার কম্পিউটার এর বিষয়গুলো নিয়ে পড়ালেখা করার ইচ্ছা থাকে তাহলে আমাদের সাইটটি একবার ভিজিট করে দেখতে পারেন। আপনার আগমন আমাদের কাছে আনন্দময় হবে। আপনি যেকোন বিষয় নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। আমাদের সাইটের মাধ্যমে আমরা আপনাদের সাথে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। আপনার পছন্দের বিষয়টি বেছে নিয়ে সে অধ্যায় গিয়ে আপনি শিখতে পারবেন।